
বগুড়া জেলা পুলিশের আয়োজনে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বগুড়া জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতটি ক্যাটাগরির বয়সভিত্তিক এ প্রতিযোগিতায় বগুড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে৷ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের আগামী ১৬ আগস্ট পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘দেশ গড়ার কাজে আমাদের সন্তান যারা তারাই একদিন নেতৃত্ব দেবে। এজন্য তাদের সেভাবে প্রস্তুত করে তুলতে হবে। তাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহমান রাখার জন্য এবং জাতির পিতার যে আদর্শ ছিল সেটি যেন এইসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে লালিত হয় এজন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি আজকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেমের বোধ জাগ্রত হবে এবং জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে যাবে।’
সাত ক্যাটাগরির মাঝে গ্রন্থপাঠ ক্যাটাগরিতে কলেজ পর্যায়ে (গ গ্রুপ) প্রথম স্থান অধিকার করে সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম শাকিল। শাকিল জানায়, “বিভিন্ন জাতীয় দিবস যেমন ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬ শে মার্চ অনেক জাকজমকের সাথে পালন করা হয়, সেসব যদিও আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য দিনগুলির মাঝে সর্বোৎকৃষ্ট কিন্তু সেভাবে ১৫ই আগস্টকে পালন করা হয় না তবে বগুড়া পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীর হাত ধরে যেভাবে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস বগুড়ায় পালিত হলো তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের ইতিহাস সম্পর্কে আমরা জেনেছি যার মাধ্যমে তার ন্যায় আলোকিত জীবন গড়তে পারব বলেও আশা করি।”